|
|
|
|

কখনো কখনো সবকিছু উল্টে পাল্টে যায়। একটা গল্পের বইয়েও মন লাগে না। গানগুলো একঘেয়ে হয়ে যায়। দিনটা হয়ে যায় খুব বড়। বারান্দায় দাঁড়িয়ে বাতাসে চুল উড়াতেও ভালো লাগে না। বিকেলের চা-টা পর্যন্ত তিতা লাগে...........
যখন আর কিছু না শুধু একটা পরিচিত কাঁধে হাত রাখার জন্য সমস্ত মনটা উৎসুক হয়ে থাকে ভিতরে ভিতরে। কিছু বলতে মন চায় না, শুনতেও না......... শুধু পরিচিত হাতগুলো.... |
|
|
|
|
|
এইমাত্র ভূমিকম্প হল। পিসির সামনে বসে তিনবার দুলে দুলে উঠলাম। আপনারা সবাই ভালো আছেন তো?
  .... প্রথম ভূমিকম্প টের পেলাম।
ভয়াবহ জিনিস! |
|
|
|
|
|
|
একটা গান শুনছি। আতিফ আসলামের। গানটার সাথে অনেক কথা অনেক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। একটা সময়। গানটা শোনার সময় একটা আজব কষ্টের অস্তিত্ব টের পাচ্ছি। ফেলে আসা সময়ের ছায়া। আমাদের অতীত নিয়ে অনেক কথা অনেকে বলে গেছেন। কেউ কেউ বলে, past is past. কথাটার পজিটিভ দিকটা অস্বীকার করা যায় না। খুব ইন্সপায়ারিংও। কিন্তু আমার ব্যক্তিগত অভিমত হল, আমাদের অতীত কখনো আমাদের.... |
|
|
|
|
|

রাত সময়টা একটা অদ্ভুত আয়নার সামনে দাঁড় করিয়ে দেয় আমাকে......
হঠাৎ হঠাৎ........ মাঝে মাঝেই.....
আমি অবাক হয়ে তাকিয়ে দেখি আমি আশ্চর্য সব বিম্ব দেখতে পাচ্ছি..... আমাকে নয়, আমার ভেতরের কয়েকটা সত্তাকে। অনেকগুলো সত্তায় বিভক্ত হয়ে গিয়ে আমি নিজেকে নতুন নতুন রূপে আবিষ্কার করি। কোনটা ভালো, কোনটা নয়।
তবু এই স্বচ্ছতাটুকুর জন্য কখনো কখনো দিনের পর দিন অপেক্ষা.... |
|
|
|
|
|
লেখার তেমন কিছু না থাকলে দিনলিপি লেখা খুব কার্যকর। ঘুম থেকে উঠলাম, দাঁত মাজলাম(কিংবা না মেজেই বললাম মেজেছি), খেলাম, এখানে ছিলাম ওখানে গেলাম..... ইত্যাদি ইত্যাদি।
আজকে কিছু একটা লিখতে ইচ্ছে করছে। কিন্তু কি লিখব ভেবে পাচ্ছি না। সুতরাং.......... দিনলিপি লেখ।
আজ আছি নানার বাসায়। অর্থাৎ দিনের মধ্যে একটা পরিবর্তন, নিজের বাসা থেকে নানার বাসা। একতলা থেকে.... |
|
|
|
|
|

গিফট পেতে আমার বরাবরই ভালো লাগে। আমি নিজে কিন্তু গিফট করি খুব গৎবাঁধা- পড়ুয়া হলে বই। অবশ্য আগে কৌশলে জেনে নেই যেটা দিচ্ছি সেই বইটা তার পড়া কিনা। পড়া বই গিফট করাটা একদম বিব্রতকর। যদি wrapping paperটা খুলে বইটা হাতে পেয়েই বলে ,'ও অমুক? এইটা আমার পড়া বই। তারপরও...থ্যাংকস!' তখনকার অনুভূতিটা বলে বুঝানো যাবে না। কিংবা গিফট করি কফির মগ, রাইটিং প্যাড,পেন্সিল বক্স এইসব।.... |
|
|
|
|
|

রাত বাড়লে তরু চুপ করে ব্যালকনিতে এসে দাঁড়ায়। নিচে রাস্তায় টুং টুং শব্দে রিকশা চলে, গাড়িগুলো উজ্জ্বল হেডলাইটের আলোয় চোখ ধাঁধিয়ে দেয় পথচারীদের। দু'একজন দ্রুত পায়ে হেঁটে চলে যায়- তরু তাকিয়ে তাকিয়ে দেখে। নিজেকে তার হঠাৎ হঠাৎ পথের মত মনে হয়। পথ- যার উপর দিয়ে লাখো মানুষ পার হয়ে যায় প্রতিদিন। অথচ কেউ তাতে দাঁড়াতে চায় না। পথের বুকে সবার.... |
|
|
|
|
|

হঠাৎ হঠাৎ কি কি সব উল্টা পাল্টা ঘটে।
মানুষের স্ক্রু লুজ হয়ে যায়, এই যে; এইভাবে" "....
সবকিছু হঠাৎ ওলোট পালোট!
কিন্তু মানুষই একমাত্র প্রাণী যার স্ক্রু লুজ হয় কিংবা খুলে পড়ে যায়। এটা গর্বের একটা বিষয় যে মাঝে মাঝেই এই ব্যাপারটা আমার ঘটে। এই স্টেটটা আমার খুব পছন্দ- লুজ স্ক্রু স্টেট। মাথা ঠিকমত কাজ করবে না বলে মনে হয়, কিন্তু করে।.... |
|
|
|
|
|

যেদিনকার কথা বলছি সেদিনটা খুব একটা মধুর ছিল না। পরের দিন অংক পরীক্ষা। তরুর অংক খুব একটা পছন্দের বিষয় না। তরু অন্য বিষয়গুলো যে খুব পছন্দ করে তা-ও নয়। তবু তরুকে পড়তে হয়। হাজার হাজার তরু তো এদেশের নিরস পড়াশুনাই করে........
মুখ কালো করে তরু কেরানীর মত খাতায় কলম পিষে যায়। একটা অক্ষরের সাথে আরেকটা মিশে মিশে যেতে চায়। তবু তরু থামে না। তরুর ছবি আঁকতে.... |
|
|
|
|
|

আজ আমাদের কবির ১০৯ তম জন্মদিন। কবিকে দেখিনি বলে আমার কতটা যে আফসোস সেটা হয়ত কবিই বুঝতেন।
কবিতা আমি বড় একটা পড়ি না। কিন্তু কবিকে পড়েছি। আমাদের কবি তিনি। একেবারে তরুণদের হৃদয়ের কাছাকাছি একটা মানুষ। কতটা অল্প সময়ে কতটা ভালবেসে একটা ভাষাকে বিদ্রোহ দান করা যায় তা কেবল কবিকে দেখলেই বোঝা যায়। নিজের জীবনে নিজের গানে, নিজেরই বেদনায় কবি যেভাবে আমাদের.... |
|
|
|
|
|
অ্যাকাউন্ট অ্যাকটিভেটহয়েছে।
নামটা যে কেন রহস্য বালিকা রাখলাম সেটা বলার বিশেষ একটা দরকার দেখছি না।
সবাইকে হ্যাপি ব্লগিং। আমাকেও।
চ্যাটিংটা বুঝতে পারছি না এখনো। |
|
|
|
|
|
রহস্য বালিকা
|
সর্বমোট পোস্টঃ১১টি
সর্বমোট মন্তব্যঃ১৭০টি
|
|
|
সাম্প্রতিক মন্তব্যকৃত পোস্টঃ
|
|
|