|
লাল কুত্তা শেয়ালের ভাই!
|
২৪শে জুলাই, ২০০৮ ভোর ৫:৫৭ |
|
|
|
|

মুসলিম নিধনে যে বাকি সব জাতি একযোগে কাজ কারে তাতে কোন সন্দেহ নেই। ধর্ম বর্ণের ভেদাভেদ না কারি সেকুলার দেশ গুলোর কার্যক্রম দেখলেই স্পষ্ট বোঝা যায় তারা সন্ত্রাস নয় মুসলিম নিধণে এক অভিন্ন মতালম্বী।
আজ পযর্ন্ত বিশ্বের শান্তি প্রতিষ্টাকারী সংস্হা গুলো পারলো না ফিলিস্তিনের স্বাধিণতা পুণঃ উদ্ধার করে দিতে।
পাকিস্তানের সাথে ইদানিং বুশ প্রশাষণের সম্পর্ক ভাল যাচ্ছে না তাই তড়িঘড়ী করে ভারতের সাথে পরমাণু চুক্তিতে আবদধ্ হতে যাচ্ছে, এক ঢিলে দুই পাখি মারার ষড়যন্ত্র। ভারতের সাথে পাকিস্তানের আজীবন শত্রুতা। ইদানিং আলকায়েদার অস্তিত্ব পাকিস্তানে বলে বুশ প্রশাষণের জোর দাবি। ইরাণ কে আক্রমণ করার জন্য ভারতের সহযোগিতা অবশ্যই প্রয়োজন। সব কিছু মিলিয়ে বির্ধমীরা সবাই একত্রিত হচ্ছে বা হয়েছে মুসলিম নিধণ করার জন্যই।
জেরুজালেম সফরকালে বুধবার ইসরায়েলকে একনিষ্ঠ সমর্থন দেওয়ার অঙ্গীকার
করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটিক দলের প্রার্থী বারাক ওবামা। সেইসঙ্গে ওবামা বলেন, নির্বাচিত হলে মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়া পুনরুজ্জীবিত করার জন্য তিনি কাজ করে যাবেন।
জেরুজালেম সফরকালে ওবামা ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এহুদ বারাকের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এছাড়াও প্রেসিডেন্ট শিমন পেরেজ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী জিপি লিভিন এবং প্রধানমন্ত্রী এহুদ ওলমার্টের সঙ্গেও তার সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে।
(মঙ্গলবার রাতে বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে অবতরণের পর ওবামা বলেন, "আমার কিছু ধারণা আমি ভাগাভাগি করব। আমার ধারণাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যকার ঐতিহাসিক এবং বিশেষ সম্পর্ক আরও দৃঢ় করা যা কখনও ভাঙা যাবে না।" )
ডেমোক্র্যাট এই সিনেটর নভেম্বরের নির্বাচনে রিপাবলিকান প্রার্থী জন ম্যাককেইনের মোকাবেলা করবেন। আর তাই নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী ইহুদি এবং ইসরায়েলি ভোটারদের আকৃষ্ট করতে তাদের মনজয়ের জন্য আটঘাঁট বেঁধেই নেমেছেন ওবামা।
জেরুজালেম ইসরায়েলের একক রাজধানী হওয়া উচিত--গত মাসে এ ধরনের মন্তব্য করে ওবামা ফিলিস্তিনি নেতাদের নাখোশ করেছেন। ১৯৬৭ সালে ইসরায়েলের অধিকৃত পূর্ব জেরুজালেম বহুদিন থেকেই দাবি করে আসছে ফিলিস্তিন। তারা জেরুজালেমকে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের রাজধানী হিসাবে চায়। ওবামা অবশ্য জেরুজালেম নিয়ে তার মন্তব্য সম্পর্কে পরে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছেন, পাশাপাশি সহাবস্থানের ভিত্তিতেই জেরুজালেমকে অখন্ড রাখার কথা বোঝাতে চেয়েছেন তিনি।
ওবামার সফর সূচিতে পশ্চিম তীর সফরেরও কথা রয়েছে। ওই সময়ে তিনি ফিলিস্তিনি প্রধানমন্ত্রী সালাম ফায়াদ এবং প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।
আজ ফিলিস্তিনীরা নিরস্ত্র না হলে ইসরাইল কে তারা উচিৎ শিখ্খা দিতে পারতো। কারণ অত্যাচার সইতে সইতে তারা আজ সংগ্রামী হয়ে গেছে। মুসলিম দেশ গুলো ইসরাইল এর বিরুদ্দে কথা বলার সাহস রাখেনা, তাহলে সাদা চামড়ার কৃপা বন্দ হয়ে যাবে এবং রাজা মহারাজা গিরি শেষ হওয়ার সম্ভাবনা ও বিরাজমান। তানাহলে আমেরিকার সন্ত্রাস ইসরায়েল কে ধংস করতে ফিলিস্তিনির সংগ্রামী জনগণ ই যথেষ্ট।
(ওদিকে, ওবামার ইসরায়েল সফরের দিনই জেরুজালেমের ব্যস্ত রাস্তায় বুলডোজার দিয়ে কয়েকটি যানে আঘাত হেনেছে এক ফিলিস্তিনি। এতে কমপক্ষে ১৬ জন আহত হয়েছেন। পুলিশ ওই ফিলিস্তিনিকে গুলি করে হত্যা করেছে। )
বুলডোজার হামলা সম্পর্কে ওবামা বলেন, "বুলডোজার হামলা আমাদের স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে কেন আমাদের একত্রিত হয়ে এবং এখনই সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কাজ করতে হবে।"
|
|
|
|